একজনের প্লাজমা একই রক্তের গ্রুপের সর্বোচ্চ তিনজন করোনা আক্রান্তের জীবন বাঁচাতে পারে ! ছবি-সংগৃহীত

সুপ্রভাত বগুড়া (স্বাস্থ্য কণিকা): মহামারী আকার ধারণ করা করোনা (কোভিড-১৯) এর এখন পর্যন্ত ণির্ভর যোগ্য কোন ওষুধ আবিস্কার না হওয়ায় দিশেহারা বিশ্ববাসী। তবে এরই মধ্যে সংক্রমণ থেকে মুক্ত হয়ে করোনা জয় করে যারা বাড়ি ফিরেছেন, তাদের দেহে তৈরী হওয়া এন্টিবডিই এখন একমাত্র ভরসা জীবন রক্ষার জন্য।

ইতিমধ্যে অনেক রোগীকে সুস্থ্য করাও সম্ভব হয়েছে এই এডিন্টবডি ব্যবহার করে। তাই এখন গবেষকদের পরামর্শ অনুযায় অনেককেই উৎসাহিত করা হচ্ছে প্লাজমা ডোনেট কারর জন্য।

করোনা জয় করা রোগীর রক্তের ভেতরের প্লাজমাতে থাকে করোনা মোকাবেলার জন্য তৈরী হওয়া এন্ডিবডি। হয়তো আপনার ডোনেট করা প্লাজমাতে বেচে যেতে পারে অনেক তাজা প্রাণ।

  • একজনের প্লাজমা একই রক্তের গ্রুপের সর্বোচ্চ তিনজন করোনা আক্রান্তের জীবন বাঁচাতে পারে।
  • যারা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরছেন, আপনারা আক্রান্ত রোগীর জীবন বাঁচাতে প্লাজমা ডোনেট করুন।
  • কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগী সুস্থ হবার চৌদ্দ দিন পর ডোনার হিসেবে রক্ত দিতে পারেন।তার শরীরে তখন এন্টিবডি তৈরী হয়, যেটা করোনা ভাইরাসের সাথে যুদ্ধ করে হারিয়ে দিতে পারে।রোগীর ইমিউনিটি বাড়ায় এবং রোগী তখন যোদ্ধা হিসেবে জিতে যাবে।
  • রক্তের সাদা জলীয় অংশ এ্যাফেরেসিস মেশিনের মাধ্যমে নেওয়া হয়।বাকী অংশ ডোনারের শরীরে ফেরত দেওয়া হয়।এই সাদা জলীয় অংশে থাকে এন্টিবডি।
  • এই প্লাজমা ভেন্টিলেটরে থাকা রোগী বা মারাত্মকভাবে আক্রান্ত রোগীকে দিলে উপসর্গ কমতে থাকবে।তাকে ভেন্টিলেটর থেকে বের করা যাবে যদি এই এন্টিবডি কাজ শুরু করে।

এভাবে তিন থেকে চারজন রোগীকে চিকিৎসা দেওয়া যাবে একজন কোভিড-১৯ থেকে সুস্থ হওয়া ডোনারের থেকে। ততদিনে আক্রান্ত রোগীর নিজস্ব এন্টিবডি তৈরী হতে শুরু করবে। ৭-১৪ দিনের মধ্যে রোগীর নিজস্ব এন্টিবডি কাজ করে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here