উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন। ছবি-সংগৃহীত

সুপ্রভাত বগুড়া (আন্তর্জাতিক): বেশ কিছুদিন ধরেই উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন কে নিয়ে গোটা বিশ্বজুড়ে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা। তিনি বেঁচে আছেন না মারা গেছেন তা নিয়ে তর্ক-বিতর্ক চলছিলো পুরো এপ্রিল মাস জুড়েই। কোনো কোনো দেশের গণমাধ্যমের জোর দাবি ছিল মারা গেছেন তিনি। তাদের দাবি ছিল অপারেশনের সময় মারা যান কিম।

তবে সব জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে গত ১ মে জনসম্মুখে হাজির হন তিনি। জানান দেন তিনি বেঁচে আছেন। তবে তার ফিরে আসা নিয়ে নতুন করে আবারো জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়েছে। আসলেই কি কিম ফিরে এসেছেন নাকি তার মতো অন্য কেউ?

তাহলে কি কিম আরো আছেন? এমন প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। ইন্ডিয়া টাইমস জানিয়েছে, গত সপ্তাহে ফিরে আসার পর থেকে আরেকটি তত্ত্ব ঘুরপাক খাচ্ছে, তা হলো কিম কি আরো আছেন? দুজন কিম থাকা কি গোপন রাখা হচ্ছে? এই তত্ত্বের পক্ষে অনেকে যুক্তিও দেখিয়েছেন।

অনেকে কিমের দুটি ছবি পাশাপাশি দিয়ে দাবি করেছেন কিম একা নন, আরো কিম আছেন। এসব ছবির মধ্যে বেশকিছু অসঙ্গতি চিহ্নিত করে দাবির পক্ষে যুক্তি দেখিয়েছেন। উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম সম্পর্কে এই তত্ত্বগুলো অন্য স্বৈরশাসক অ্যাডলফ হিটলার, জোসেফ স্টালিন এবং সাদ্দাম হুসেনের সাথে ‌ঐতিহ্যগত মিল রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

ছবির মানুষটিকে রাজনৈতিক ফাঁদ হিসাবে দাবিও করা হচ্ছে। সাবেক টরি এমপি লুইস মেনজ টু্ইটারে কিমের দুটি ছবি দিয়ে বলেছেন, দুটি মানুষের দাঁতের উপরের পাটির দিকে খয়াল করুন, আপনি বুঝতে পারবেন। তিনি বলেন, তারা একই ব্যক্তি নন। তবে এ বিষয়ে তর্ক করবো না। যখন কল্পনা করলাম আমার ধারণা ভুল তখন গা শিউরে উঠলো।

এটি মোটেও ভুল নয়। এই বিতর্ক এগিয়ে নেয়া ঠিক হবে না, তবে এই দুটি মানুষ এক নয়। ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম ডেইলি মেইল এক প্রতিবেদনে কিমের দুটি ছবি দিয়ে জানিয়েছে, কিমের কানের গঠনে পরিবর্তন খেয়াল করা গেছে। এতে মনে হয়েছে, তার কানের স্থুলতায় পরিবর্তন হয়েছে।

তবে তুলনা করা এসব ছবি এক দশক আগের দাবি করে মেইল জানায়, তার বয়স এবং খাদ্যাভাসের কারণে স্বাস্থ্যের পরিবর্তন হয়ে থাকতে পারে। জেনিফার জেং নামে একজন ব্লগার কিমের কয়েকটি ছবি দিয়ে তুলনা করেছেন।

একটি ছবিতে দেখা গেছে কিমের কব্জির নিচে কালো দাগ আছে। আরকেটি ছবিতে সেই দাগ নেই। অনেকে বলেছেন, এই কালো দাগ তার সম্প্রতি হার্টের চিকিৎসা প্রক্রিয়ার কারণে হয়ে থাকতে পারে। যে কারণে তিনি দীর্ঘদিন অনুপস্থিত ছিলেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here