সুপ্রভাত বগুড়া (অন্তর আহম্মেদ নওগাঁ): করোনাভাইরাসের কারণে হোটেল, রেস্তোরাঁ ও হাটগুলো বন্ধ থাকায় দুধ বিক্রি হচ্ছে না আগের মতো। বিপাকে পড়েছেন নওগাঁর মহাদেবপুরের দাউল বারবাকপুরের খামারিরা।

অনেকে বাধ্য হয়ে বাছুরকে দুধ খাওয়াচ্ছেন। আবার কেউ কেউ ছানা করে রাখছেন। এমন অবস্থা চলতে থাকলে খামারগুলো বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা। মহাদেবপুর উপজেলার দাউল বারবাকপুরে সবমিলিয়ে ২০ টির মতো দুগ্ধ খামার রয়েছে।

এসব খামার থেকে দুধ মহাদেবপুর ও নওগাঁ বাজার সহ আশেপাশের হোটেল ও মিষ্টির দোকানগুলোতেও সরবরাহ করা হতো। কিন্তু করোনাভাইরাসের কারণে ঘোষ দুধ কম কিনছে। হাট-বাজার এবং অন্যান্য যেসব স্থানে দুধ বিক্রি বা সরবরাহ করা হতো সেগুলো বন্ধ রয়েছে।

মহাদেবপুর দাউল বারবাকপুরের খামারি মোঃ সোহেল রানা বলেন, ‘করোনার কারণে সবকিছু বন্ধ থাকায় আমার দুধ বিক্রি করতে পারছি না। কিছু দুধ বাছুরকে খাওয়ানো হচ্ছে। আবার কিছু দুধ ছানা করে রাখা হচ্ছে।

কিন্তু কতদিন এভাবে রাখবো।প্রতিদিন প্রায় আমার ৫-৭ হাজার টাকার মতো লোকসান গুনতে হচ্ছে। শুধু দুধ বিক্রি বন্ধ তাও নয়, হাটবাজার বন্ধ থাকায় গরুও বিক্রি করতে পারছি না। এমন অবস্থা চলতে থাকলে খামারের খরচ জোগানো ও শ্রমিকদের মজুরি দেওয়া মুশকিল হয়ে যাবে।

ফলে খামার বন্ধ করে দেওয়া ছাড়া উপায় থাকবে না।’ একই গ্রামের আরেক খামারি আব্দুল মজিদ বাচ্চু  বলেন, ‘আমার খামারে ১০টি গাভী থেকে গড়ে প্রতিদিন ১২০–১৪০ লিটার দুধ হতো। কিন্তু করোনাভাইরাসের কারণে ক্রেতা না থাকায় দুধ বিক্রি করতে না পেরে সেই উৎপাদন খানিকটা কমায়ে দিয়েছি।

বর্তমানে ৪০ লিটারের মতো দুধ বিক্রি করা হচ্ছে।যেসব খাবার দিলে গাভীগুলোর বেশি দুধ দেয় তা কমিয়ে দিয়েছি। এর কারণে লোকসানে পড়তে হচ্ছে।

মহাদেবপুর উপজেলার প্রাণিসম্পদ (ulo) ডাঃ এসএম খুরশিদ আলম মোবাইল ফোনে বলেন, দাউল বারবাক পুরে খামারি অনেকেই আছে ‘করোনাভাইরাসের কারণে মার্কেটে দুধের বিক্রি অনেকটা কমে গেছে।

যার কারণ খামারিদের অনেক কষ্টে মধ্যে আছে। তবে কৃষি জাতীয় পন্য সামগ্রিই সরবরাহ করতে কোন ব্যাধা নেই। যে কোন সাহায্য করার জন্য উপজেলা প্রাণিসম্পদ আমরা প্রস্তুত আছি। 

ভিডিও :

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here