সুপ্রভাত বগুড়া (খেলা-ধুলা): কারাতের দলগত ইভেন্টের সেমিফাইনালে লড়ার সময় মাথায় আঘাত পেয়েছেন গতকালের স্বর্ণজয়ী বাংলাদেশি অ্যাথলিট মারজান আকতার পিয়া। গুরুতর অবস্থায় স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে তাকে। আঘাত পেয়েছেন আরেক স্বর্ণজয়ী হুমায়রা আক্তার অন্তরাও।

কোচরা বলছেন, অনাকাঙ্ক্ষিত এ দুর্ঘটনায় ফসকে গেল আরেকটি স্বর্ণপদক। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, এখন শঙ্কামুক্ত আছেন মারাজানা। মারজান আক্তার পিয়া, মাত্র একদিনের মধ্যেই বদলে গেল এ অ্যাথলিটের জীবন। আগের দিন যেখানে দেশের পতাকা জড়িয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন মারজানা, সেখানেই আজ আহত হয়ে ভর্তি হয়েছেন হাসপাতালে।

বুধবার (৪ ডিসেম্বর) সকালে নারীদের দলগত কারাতে কুমি ইভেন্টে অংশ নেয় বাংলাদেশের নারীরা। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দারুণ ভাবে এগিয়ে যান বাংলার দুই স্বর্ণ কন্যা মারজানা এবং অন্তরা। খেলা চলাকালীন এক মুহূর্তে হঠাৎই প্রতিপক্ষের ঘুষিতে মাথায় আঘাত পান মারজানা।

পড়ে যান ম্যাটে। এ সময় গেমস চিকিৎসকদের সেবায় সুস্থ হয়ে ওঠেন তিনি। ম্যাটেও নামেন আবার। এরপর বেশ ভালোভাবেই ম্যাচে টিকে ছিলেন মারজানা। অন্তরার সঙ্গী হয়ে হারিয়েও দেন লঙ্কানদের। তবে ম্যাচের শেষ দিকে আবারও আঘাত পান মারজানা এবং অন্তরা দুজনেই। এ সময় অন্তরা উঠে দাঁড়ালেও জ্ঞান হারান মারজানা।

পরে দ্রুততার সঙ্গে তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কারাতে কোচ মো. জসিম জানান, মারাজানা মাথায় এখনো যন্ত্রণা আছে। এদিকে সেমিতে জিতে ফাইনালে উঠলেও মারজানাকে ছাড়া আর জিততে পারেনি বাংলাদেশ। দলগত কুমিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে ফাইনালে হেরে গেছে লাল সবুজের প্রতিনিধিরা।

মারজানার পরিবর্তে অন্তরার সঙ্গী হয়ে ম্যাচে অংশ নেন আরেকজন অ্যাথলিট। তবে তার অভাব পূরণ করা সম্ভব হয়নি। কারাতে কোচ মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, মারজানা খেলতে না পারায় স্বর্ণ পদক আমাদের হাতছাড়া হয়ে গেল। শেষ পর্যন্ত রৌপ্য নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হলো বাংলাদেশকে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here