প্রতীকি-ছবি

সুপ্রভাত বগুড়া (হাবিবুর রহমান রুবেল হরিণাকুণ্ডু ঝিনাইদহ): জুলেখা খাতুন (৬০), আশা এনজিও থেকে ঋণ নিয়েছিলেন ৬০ হাজার টাকা।

বৃহস্পতিবার ছিল কিস্তি দেওয়ার তারিখ। এনজিও কর্মীরা কিস্তির টাকার জন্য যায় তার বাড়িতে, হতদরিদ্র জুলেখা খাতুন কিস্তির টাকা জোগাড় করতে না পারায় এনজিও কর্মীরা তাকে কিস্তির জন্য চাপ সৃষ্টি করে চলে যায়।

অবশেষে ঋণের কিস্তির টাকা না দিতে পারায় এনজিও কর্মীর চাপে নিজ ঘরে গলায় ফাঁশ দিয়ে আত্মহত্যা করে অসহায় জুলেখা খাতুন। সে ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলার ভায়না ইউনিয়নের লক্ষীপুর গ্রামের দিনমজুর আব্দুর রাজ্জাকের স্ত্রী।

বৃহস্পতিবার রাতে ওই গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহতের স্বামী এ ব্যাপারে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে তিনি জানান, স্ত্রীর নামে আশা এনজিও থেকে ৬০ হাজার টাকা ঋণ নিয়েছিলাম।

টাকার জন্য বেশ কিছুদিন ধরেই তারা পিড়াপিড়ি করতে থাকে। বৃহস্পতিবার বাড়িতে এসে এনজিও কর্মীরা তার স্ত্রীর সাথে খারাপ ব্যবহার করে চলে যায়। এ ঘটনা সইতে না পেরে সে নিজ ঘরে গলাই ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে।

এব্যাপারে জানতে চাইলে আশা হরিণাকুণ্ডু ব্রাঞ্চের ম্যানেজার নাসির উদ্দীন বলেন, শুনেছি নিহত জুলেখা ব্র্যাক থেকেও ঋণ নিয়েছিল, তাদের সাথে ঝগড়াঝাটি হয়ে সে আত্মহত্যা করে।

সে আমাদেরও ঋণ গ্রহিতা ছিল, বৃহস্পতিবার আমাদের এনজিও কর্মীরা তার বাড়িতে গিয়ে দেখে সে আত্মহত্যা করেছে ।

হরিণাকুণ্ডু থানার ওসি আসাদুজ্জামান জানান, নিহত মহিলাটি এনজিও থেকে ঋণ নিয়েছিল বলে তিনি শুনেছেন। তার মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধান করছে পুলিশ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here